মুরাদনগরে ইউপি সদস্যর হাতে নারী নির্যাতনের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল

কুমিল্লার মুরাদনগরে ইউপি সদস্য ও তার ভাইয়ের হাতে মারধরের শিকার এক নারীর সিসিটিভি ফুটেজ এখন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ঘুরছে। আহত ওই নারী ভয়ে বাড়ি ছেড়ে গিয়ে অন্য উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিচ্ছেন। এই সংবাদ লিখা পর্যন্ত ঘটনার সাথে জড়িত কাউকে আটক করতে পারেনি পুলিশ।
ভিডিওতে দেখা যায়, উপজেলার নবীপুর পশ্চিম ইউনিয়নের কোম্পানীগঞ্জ বাজার সংলগ্ন সুরুজ মিয়ার মার্কেটের দেলোয়ার মিয়ার দোকানে প্রকাশ্যে এক নারীকে লাঠিশোটা দিয়ে মারধর করে চুলের মুঠি ধরে টেনে হিচরে নিয়ে যাচ্ছে একই ইউনিয়নের মেম্বার দেলোয়ার, তার ভাই সুমন সরকার ও তার চাচাতো ভাই রাসেল। আহত নারী উত্তর ত্রিশ গ্রামের মোঃ শরিফুল ইসলামের স্ত্রী মরিয়ম বেগম (৩৭)।
ভুক্তভোগী মরিয়ম বেগম জানান, গত সোমবার রাত সাড়ে ৯টায় উত্তর ত্রিশ নিজ গ্রাম থেকে মরিয়ম বেগম কোম্পানীগঞ্জ বাজারে যাওয়ার পথে একই গ্রামের মৃতঃ শাহ আলম মেম্বারের ছেলে মেম্বার দেলোয়ার হোসেন ও তার ভাই সুমন মিয়ার (৩০), নেতৃত্বে উত্তর ত্রিশ গ্রামের আলাউদ্দিন, মোঃ সুদন মিয়ার ছেলে মোঃ হাবিব (২৬), রাসেল (২৪), মাঃ ইউনুস মিয়ার ছেলে মোঃ জামাল মিয়া (২৬),মৃত লতিফ মিয়ার ছেলে মোঃ আলমগীর (৩০) হাসু মিয়া ছেলে হেলাল (২৬), মৃতঃ তবদল হোসেন ছেলে রনি (২৩) সহ আরো ৫/৬জন তাকে বেধরক মারধর করে। মারধরের কারণ হিসাবে তিনি জানিয়েছেন, ১৯৯১ সাল থেকে কুমিল্লা বিজ্ঞ আদালতে ১শ’ শতাংশ জমির বাটোয়ারা মামলা চলছে মেম্বার দেলোয়ার হোসেনের সাথে তার। ওই জমির আপোষ মিমাংশা করবে বলে মরিয়ম বেগম কে রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে দোকানের ভিতরে মারধর করে মেম্বার দেলোয়া ও তার লোকজন।
তিনি আরো জানান, ‘দেলোয়ার মেম্বার ও তার লোকজনের ভয়ে দেবীদ্বার উপজেলা সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছি। মারধরের ঘটনা মনে হলেই ভয়ে বুক ধরফর করে। এ ঘটনায় মামলা করলে তারা আমাকে এসিড দিয়ে পুড়িয়ে মারার হুমকি দিয়েছে। তাই বাড়ি ছেড়ে অন্যত্র আছি।’
অভিযুক্ত নবীপুর পশ্চিম ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের মেম্বার মোঃ দেলোয়ার হোসেনের সাথে একাধীকবার যোগাযোগের চেষ্টা করে পাওয়া যায়নি।
১৫ নং নবীপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ভিপি জাকির হোসেন বলেন, মরিয়ম বেগম ও দেলোয়ার মেম্বারের সাথে জামেলার কথা শুনেই ঘটনাস্থলে এসে উভয়কে নিবৃত করি।
মুরাদনগর থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবু হাসিম বলেন, মরিয়ম বেগম বাদী হয়ে থানায় একটি অভিযোগ দাখিল করেছে। তিনি এখন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। চিকিৎসা শেষ করে আসলে মামলাটি নথিভূক্ত করা হবে।

Can you be more specific about the content of your article? After reading it, I still have some doubts. Hope you can help me.