কিশোরগঞ্জে মন্দিরভিত্তিক প্রাক-প্রাথমিক ও গীতা স্কুল পরিদর্শন

পুলক কিশোর গুপ্ত, কিশোরগঞ্জ:
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট-এর ট্রাস্টি মন্টি রানী সরকার সোমবার (৬ এপ্রিল) কিশোরগঞ্জ জেলায় মন্দিরভিত্তিক প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা ও গীতা শিক্ষাকেন্দ্র পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনের আগে তিনি ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়-এর আওতাধীন কার্যক্রম নিয়ে সকাল ১০টায় কিশোরগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়-এ জেলা প্রশাসনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।
সাক্ষাৎ শেষে তিনি জেলা শহরের বিভিন্ন মন্দিরভিত্তিক শিক্ষা কার্যক্রম ঘুরে দেখেন। এ সময় তিনি শ্রী শ্রী শ্যামসুন্দর জিউর আখড়া মন্দির, শ্রী শ্রী লোকনাথ মন্দির এবং শ্রী শ্রী লক্ষীনারায়ণ জিউড় আখড়া-এ পরিচালিত মন্দিরভিত্তিক প্রাক-প্রাথমিক স্কুল ও গীতা স্কুল পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনকালে তাঁর সঙ্গে ছিলেন মন্দিরভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম (৬ষ্ঠ পর্যায়) কিশোরগঞ্জ জেলা শাখার সহকারী প্রকল্প পরিচালক মোঃ হুমায়ুন কবীর, ফিল্ড অফিসার দীপংকর চন্দ্র সিংহ, এবং সনাতনী সম্প্রদায়ের গণ্যমান্য ব্যক্তি গোপাল নন্দী, তাপস সাহা ও জীবন চন্দ্র দাস।
পরিদর্শন শেষে দুপুর ১২টায় শহরের কেন্দ্রীয় মন্দির শ্রী শ্রী কালীবাড়ি মন্দির-এ পুরোহিত ও সেবাইতদের দক্ষতা বৃদ্ধিকরণ প্রকল্প (২য় পর্যায়) বিষয়ে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন মন্দির কমিটির সভাপতি অসীম সরকার বাঁধন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জ জেলা সরকারি গণগ্রন্থাগার-এর সহকারী পরিচালক মোঃ আজিজুল হক সুমন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্টি রানী সরকার বর্তমান সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ড তুলে ধরেন এবং সেবাইত, পুরোহিত, সামাজিক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ এবং সাংবাদিকদের উদ্দেশে স্বনির্ভরতার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি কৃষিকাজে সম্পৃক্ততা বাড়ানো, ক্ষুদ্র পরিসরে হাঁস-মুরগি, গরু ও ছাগল পালন করে আত্মনির্ভর হওয়ার আহ্বান জানান। পাশাপাশি হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের মাধ্যমে চলমান সহায়তা ও সুযোগ-সুবিধা সম্পর্কে অবহিত করেন।
