শিল্প-সংস্কৃতিতে বিশেষ অবদানের জন্য টাঙ্গাইলে ২৫ জনকে সম্মাননা প্রদান

শিল্প-সংস্কৃতিতে বিশেষ অবদানের টাঙ্গাইলে ১২ টি ক্যাটাগরিতে পাঁচ বছরের মনোনীত ২৫ জনকে জেলা শিল্পকলা সম্মাননা দেয়া হয়েছে।
গতকাল রোববার (১৩ মার্চ ) রাতে জেলা শিল্পকলা একাডেমির মিলনায়তনের মনোনীত গুণীজনদের এ সংবর্ধনা দেয়া হয়।
২০১৭ সালের মনোনীতরা হচ্ছেন- আবৃত্তিতে বীর মুক্তিযোদ্ধা বুলবুল খান মাহবুব, সৃজনশীল সংগঠনক বীরমুক্তিযোদ্ধা আলমগীর খান মেনু, নাট্যকলা বীর মুক্তিযোদ্ধা এ এম এনায়েত করিম, কণ্ঠসঙ্গীত আবু বকর সিদ্দিক, চারুকলা রনজিৎ দাস, ২০১৮ সালের মনোনীতরা হচ্ছেন- নাট্যকলা দুলাল আনোহলী, কণ্ঠসঙ্গীত মো. সামছুজ্জামান দারু, চারুকলা জাহিদ মুস্তফা, যাত্রা শিল্প মো. নুরুল ইসলাম (নুরু), নৃত্যকলা সুরাইয়া আক্তার পপি, ২০১৯ সালের মনোনীতরা হচ্ছেন- সৃজনশীল সংগঠক এসএম সিরাজুল হক আলমগীর, নাট্যকলা নিতাই লাল গৌড়, আবৃত্তি দেবাশীষ কুমার দেব, কণ্ঠসঙ্গীত ফিরোজ আহমেদ বাচ্চু, ফটোগ্রাফি ইকবাল হোসেন, ২০২০ সালের মনোনীতরা হচ্ছেন- লোক সংস্কৃতি রায়েজ উদ্দিন, চলচ্চিত্র সারোয়ার তমিজউদ্দিন, কণ্ঠসঙ্গীত আলপনা রায়, সৃজনশীল সংস্কৃতি গবেষক মো. ইউসুফ আলী মিয়া (তরুণ ইউসুফ), নাট্যকলা শাহ মো. ইছরাইল, ২০২১ সালের মনোনীতরা হচ্ছেন- কণ্ঠসঙ্গীত মো. কুদরত মাহমুদ, নাট্যকলা রতন কুমার দত্ত, চারুকলা খঃ হুমায়ুন কবির, যন্ত্রসংগীত ছানোয়ার হোসেন ও যাত্রাশিল্পী মিনা ইসলাম।
টাঙ্গাইল জেলা শিল্পকলা একাডেমির ব্যবস্থাপনায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফজলুর রহমান খান ফারুক। অনুষ্ঠানটি উদ্বোধন করেন জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক বীরমুক্তিযোদ্ধা জোয়াহেরুল ইসলাম (ভিপি জোয়াহের) এমপি।
জেলা প্রশাসক ড. মো. আতাউল গনির সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার, জেলা আওয়ামীলীগের সিনিয়র যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক বীরমুক্তিযোদ্ধা খন্দকার আশরাফউজ্জামান স্মৃতি, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহজাহান আনছারী, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি জাফর আহমেদ প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন জেলা শিল্পকলা একাডেমির কালচালার অফিসার মো. এরশাদ হাসান।

Can you be more specific about the content of your article? After reading it, I still have some doubts. Hope you can help me.