৫ লক্ষণ বলে দেবে কৃমি বাসা বেঁধেছে কি না শরীরে

লাইফস্টাইল ডেস্ক, দেশের বার্তা নিউজঃ
যেভাবে কৃমি শরীরে প্রবেশ করেঃ
কৃমির সংক্রমণ সাধারণত দূষিত খাবার ও পানি, অপরিষ্কার হাত, মাটি বা সংক্রমিত মল-মূত্রের মাধ্যমে ঘটে। এছাড়া খালি পায়ে হাঁটা বা অপরিষ্কার পরিবেশে বেশি সময় কাটানোও কৃমির সংক্রমণের কারণ হতে পারে। খাওয়ার আগে হাত না ধোওয়া, অপরিশোধিত দুধ পান করা, সবজি ভালোভাবে না ধুয়ে রান্না করা, সুইমিং পুলে অপরিষ্কারভাবে গোসল করা কিংবা পোষ্য প্রাণীদের সংস্পর্শে আসাও কৃমির সংক্রমণের কারণ।
শরীরে কৃমির ৫টি লক্ষণঃ
১. অস্বাভাবিক ক্ষুধা বেড়ে যাওয়া বা কমে যাওয়াঃ কৃমি শরীরের ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাকে ব্যাহত করে। এর ফলে কেউ ক্ষুধাহীন হয়ে পড়েন, আবার কেউ অস্বাভাবিকভাবে বেশি ক্ষুধা অনুভব করেন।
২. ওজন কমে যাওয়া ও সার্বক্ষণিক ক্লান্তিঃ কোনো ডায়েট বা ব্যায়াম ছাড়াই যদি ধীরে ধীরে ওজন কমতে থাকে এবং সব সময় ক্লান্তি অনুভূত হয়, তবে তা কৃমির সংক্রমণের লক্ষণ হতে পারে।
৩. মলের সঙ্গে কৃমি দেখা যাওয়াঃ মলত্যাগের সময় মলে সাদা ছোট কৃমি দেখা যাওয়া অন্ত্রের কৃমির একটি স্পষ্ট লক্ষণ।
৪. ঘন ঘন পেটব্যথাঃ কোনো কারণ ছাড়াই বারবার পেটে মোচড় বা খিঁচুনির মতো ব্যথা অনুভব হলে এটি কৃমির সংক্রমণের ইঙ্গিত হতে পারে।
৫. ত্বকের সমস্যা ও পায়ুপথে চুলকানিঃ কৃমি থেকে নির্গত বিষাক্ত উপাদান রক্তের মাধ্যমে শরীরে ছড়িয়ে পড়ে, যার ফলে ত্বকে ফুসকুড়ি, চুলকানি বা অ্যালার্জি দেখা দিতে পারে। বিশেষ করে পায়ুপথের আশপাশে চুলকানি হওয়া অন্ত্রের কৃমির একটি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ।
এসব লক্ষণ দেখলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে কৃমির ওষুধ (De-worming) খাওয়া উচিত।
