বৃহস্পতিবার, ১৫ এপ্রিল ২০২১, ০১:৪৪ পূর্বাহ্ন
আক্রান্ত

৭০৩,১৭০

সুস্থ

৫৯১,২৯৯

মৃত্যু

৯,৯৮৭

  • জেলা সমূহের তথ্য
  • ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২,৭১৪
  • বরগুনা ১,০০৮
  • বগুড়া ৯,২৪০
  • চুয়াডাঙ্গা ১,৬১৯
  • ঢাকা ১৫০,৬২৯
  • দিনাজপুর ৪,২৯৫
  • ফেনী ২,১৮০
  • গাইবান্ধা ১,৪০৩
  • গাজীপুর ৬,৬৯৪
  • হবিগঞ্জ ১,৯৩৪
  • যশোর ৪,৫৪২
  • ঝালকাঠি ৮০৪
  • ঝিনাইদহ ২,২৪৫
  • জয়পুরহাট ১,২৫০
  • কুষ্টিয়া ৩,৭০৭
  • লক্ষ্মীপুর ২,২৮৩
  • মাদারিপুর ১,৫৯৯
  • মাগুরা ১,০৩২
  • মানিকগঞ্জ ১,৭১৩
  • মেহেরপুর ৭৩৯
  • মুন্সিগঞ্জ ৪,২৫১
  • নওগাঁ ১,৪৯৯
  • নারায়ণগঞ্জ ৮,২৯০
  • নরসিংদী ২,৭০১
  • নাটোর ১,১৬২
  • চাঁপাইনবাবগঞ্জ ৮১১
  • নীলফামারী ১,২৮০
  • পঞ্চগড় ৭৫৩
  • রাজবাড়ী ৩,৩৫২
  • রাঙামাটি ১,০৯৮
  • রংপুর ৩,৮০৩
  • শরিয়তপুর ১,৮৫৪
  • শেরপুর ৫৪২
  • সিরাজগঞ্জ ২,৪৮৯
  • সিলেট ৮,৮৩৭
  • বান্দরবান ৮৭১
  • কুমিল্লা ৮,৮০৩
  • নেত্রকোণা ৮১৭
  • ঠাকুরগাঁও ১,৪৪২
  • বাগেরহাট ১,০৩২
  • কিশোরগঞ্জ ৩,৩৪১
  • বরিশাল ৪,৫৭১
  • চট্টগ্রাম ২৮,১১২
  • ভোলা ৯২৬
  • চাঁদপুর ২,৬০০
  • কক্সবাজার ৫,৬০৮
  • ফরিদপুর ৭,৯৮১
  • গোপালগঞ্জ ২,৯২৯
  • জামালপুর ১,৭৫৩
  • খাগড়াছড়ি ৭৭৩
  • খুলনা ৭,০২৭
  • নড়াইল ১,৫১১
  • কুড়িগ্রাম ৯৮৭
  • মৌলভীবাজার ১,৮৫৪
  • লালমনিরহাট ৯৪২
  • ময়মনসিংহ ৪,২৭৮
  • নোয়াখালী ৫,৪৫৫
  • পাবনা ১,৫৪৪
  • টাঙ্গাইল ৩,৬০১
  • পটুয়াখালী ১,৬৬০
  • পিরোজপুর ১,১৪৪
  • সাতক্ষীরা ১,১৪৭
  • সুনামগঞ্জ ২,৪৯৫
ন্যাশনাল কল সেন্টার ৩৩৩ | স্বাস্থ্য বাতায়ন ১৬২৬৩ | আইইডিসিআর ১০৬৫৫ | বিশেষজ্ঞ হেলথ লাইন ০৯৬১১৬৭৭৭৭৭ | সূত্র - আইইডিসিআর | স্পন্সর - একতা হোস্ট

দেশে করোনার ধাক্কায় গরিব হবে অর্ধকোটি মানুষ

নিউজ ডেস্ক
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২০
  • ১৫৬ বার সংবাদটি ওয়েব থেকে শেয়ার

প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধ কার্যত দেশজুড়ে চলছে অঘোষিত লকডাউন। এতে করে থেকে গেছে অর্থনীতির চাকা। এতে করে প্রাতিষ্ঠানিক খাতের পাঁচ কোটির বেশি মানুষের জীবন-জীবিকা হুমকির মুখে। ফলে দারিদ্র্যসীমার কিছুটা ওপরে থাকা লাখ লাখ নারী-পুরুষ আবারো গরিব হতে পারেন।

এসব মানুষ বেকার হয়ে গেলে বা ক্রয়ক্ষমতা কমে গেলে তারা আবারো দারিদ্র্যসীমার নিচে চলে আসবেন। দেশের প্রায় অর্ধকোটি মানুষ এই ঝুঁকির মধ্যে রয়েছেন। এতে করে করোনা-পরবর্তী সময়ে দেশে বেড়ে যেতে পারে দারিদ্রতার হার।

করোনার সংক্রমণ ঠেকাতে ২৬ এপ্রিল থেকে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে সরকার। পরে তা বাড়িয়ে ২৫ এপ্রিল পর্যন্ত করা হয়েছে। এতে করে সবচেয়ে বেশি বিপদে পড়েছেন দিনমজুররা। আর বেকার হয়ে পড়েছেন পরিবহনশ্রমিক, রিকশাচালক, হোটেল-রেস্তোরাঁকর্মী, ছোট দোকানদার। এছাড়াও নিম্নমধ্যবিত্ত ও মধ্যবিত্তদের অনেকেই চাকরি হারানোর শঙ্কায় রয়েছেন।

এ বিষয়ে অর্থনীতিবিদ জাহিদ হোসেন বলেন, ‘করোনা পরিস্থিতির কারণে দারিদ্র্য বেড়ে যাওয়ার ঝুঁকি আরো বেড়ে গেল। এত দিন বন্যা, খরা, ঘূর্ণিঝড়সহ স্থানীয় পর্যায়ের সমস্যার কারণে মানুষের গরিব হওয়ার শঙ্কা ছিলো। করোনা পরিস্থিতি এখন দেশের সব খাতেই প্রভাব ফেলছে। তবে অনানুষ্ঠানিক খাতে এর প্রভাব বেশি, এরই মধ্যে বহু মানুষ কর্মহীন হয়ে পড়েছেন।’

একটি উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, ‘সামনে বোরো মৌসুম। শহর থেকে যেসব লোক গ্রামে গেছেন, তাদের অনেকেই কাজের জন্য কৃষি শ্রমবাজারে ঢুকবেন। ফলে কৃষিশ্রমের বাজারে চাহিদার চেয়ে বেশি শ্রমিক পাওয়া যাবে, যা মজুরি কমিয়ে দেবে।’

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) তথ্য মতে, ২০১৯ সাল শেষে বাংলাদেশের জাতীয় দারিদ্র্যের হার ছিলো সাড়ে ২০ শতাংশ। অতিদারিদ্র্যের হার সাড়ে ১০ শতাংশ। দেশের জনসংখ্যা ১৬ কোটি ৫৬ লাখ। সেই হিসাবে দেশে ৩ কোটি ৪০ লাখ গরিব মানুষ আছে। তাদের মধ্যে পৌনে দুই কোটি মানুষ হতদরিদ্র।

প্রথম আলো’র এই প্রতিবেদনে বলা হয়, অর্থনীতির স্বাভাবিক গতিপ্রবাহ ব্যাহত হলে সব সময়ই কিছু লোকের জীবিকা হুমকির মুখে পড়ে। এতে তারা বেকার হন এবং আবার গরিব হয়ে যান। এমন বিবেচনায় ২০১৫ সালে পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগ (জিইডি) সামাজিক নিরাপত্তাকৌশল প্রণয়ন করার সময় ঝুঁকিতে থাকা মানুষের হিসাব করেছে।

ওই কৌশলপত্রে বলা হয়, দেশে যত গরিব মানুষ আছে, তাদের ২৫ শতাংশের সমান মানুষ দারিদ্র্যসীমার আশপাশে থাকেন। তাদের মধ্যে অর্ধেক মানুষ অর্থনীতি ভালো থাকলে, আয় ভালো হলে দারিদ্র্যসীমা অতিক্রম করে। আবার বাকি সাড়ে ১২ শতাংশ মানুষ, যারা দারিদ্র্যসীমার কিছুটা ওপরে থাকে, তারা অর্থনীতি খারাপ হলে কিংবা ঘূর্ণিঝড়, খরা, বন্যা, জিনিসপত্রের অস্বাভাবিক দাম বাড়লে আবার গরিব হয়ে যায়। এবার করোনার কারণে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে আছে এই শ্রেণির মানুষগুলো। জিইডির ওই হিসাব মতে, দেশে এখন ৩ কোটি ৪০ লাখ গরিব মানুষ রয়েছে। তাদের মধ্যে আবার গরিব হওয়ার ঝুঁকিতে আছে সাড়ে ৪২ লাখ মানুষ।

মৌলিক চাহিদা পূরণে ব্যয় পদ্ধতি দ্বারা দেশে দারিদ্র্য মাপা হয়। একজন নাগরিকের দৈনিক ২ হাজার ১২২ ক্যালরি খাবার গ্রহণ করতে প্রয়োজনীয় আয় করতে না পারলে তাকে গরিব হিসেবে গণ্য করা হয়। আর দৈনিক ১ হাজার ৮০৫ ক্যালরি খাবার গ্রহণ করার মতো আয় না করতে পারলে হতদরিদ্র হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। এই ক্যালরি খাবার কিনতে কত টাকা আয় করতে হবে, সেই হিসাবও আছে।

জিইডি একটি হিসাব বলা হয়, চারজনের একটি পরিবারের আয় যদি মাসে ৬ হাজার ৪০০ টাকা হয়, তাহলে ওই পরিবারের সবার জন্য দৈনিক কমপক্ষে ২ হাজার ১২২ ক্যালরি খাবার কেনা সম্ভব হবে। আর একটি পরিবারের আয় যদি ৫ হাজারর ২০০ টাকা হয়, তাহলে তারা ১ হাজার ৮০৫ ক্যালরি খাবার কিনতে পারবে।

পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগের (জিইডি) সদস্য শামসুল আলম বলেন, ‘করোনার কারণে গরিব হওয়ার ঝুঁকিতে থাকা ৪০-৪২ লাখ মানুষ আবার গরিব হয়ে যেতে পারে। তাই এবার গরিব হওয়ার সংখ্যা অন্য যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি হবে। কারণ, অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতের সবকিছুই বন্ধ আছে।’

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

বিশ্বে করোনা ভাইরাস

বাংলাদেশে

আক্রান্ত
৭০৩,১৭০
সুস্থ
৫৯১,২৯৯
মৃত্যু
৯,৯৮৭
সূত্র: আইইডিসিআর

বিশ্বে

আক্রান্ত
১৩৬,০৬৯,৩১৩
সুস্থ
৭৭,৫৮৫,১৮৬
মৃত্যু
২,৯৩৭,২৯২

বাংলাদেশে করোনা ভাইরাস

সর্বমোট

আক্রান্ত
৭০৩,১৭০
সুস্থ
৫৯১,২৯৯
মৃত্যু
৯,৯৮৭
সূত্র: আইইডিসিআর

সর্বশেষ

আক্রান্ত
৫,১৮৫
সুস্থ
৫,৩৩৩
মৃত্যু
৯৬
স্পন্সর: একতা হোস্ট

এই ওয়েবসাইটে কোনও তথ্য, চিত্র, অডিও বা ভিডিও অন্য ও কোথাও প্রকাশ করা আইনত দন্ডনীয়।

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © desherbarta24.com 2017-2021

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD
jpthemes2281