শনিবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২১, ০২:৩৭ অপরাহ্ন
মোট আক্রান্ত

৫২৬,৪৮৫

সুস্থ

৪৭১,১২৩

মৃত্যু

৭,৮৬২

  • জেলা সমূহের তথ্য
  • ঢাকা ১৫৬,৮০৮
  • চট্টগ্রাম ২৮,১১২
  • বগুড়া ৯,২৪০
  • সিলেট ৮,৮৩৭
  • কুমিল্লা ৮,৮০৩
  • নারায়ণগঞ্জ ৮,২৯০
  • ফরিদপুর ৭,৯৮১
  • খুলনা ৭,০২৭
  • গাজীপুর ৬,৬৯৪
  • কক্সবাজার ৫,৬০৮
  • নোয়াখালী ৫,৪৫৫
  • বরিশাল ৪,৫৭১
  • যশোর ৪,৫৪২
  • দিনাজপুর ৪,২৯৫
  • ময়মনসিংহ ৪,২৭৮
  • মুন্সিগঞ্জ ৪,২৫১
  • রংপুর ৩,৮০৩
  • কুষ্টিয়া ৩,৭০৭
  • টাঙ্গাইল ৩,৬০১
  • রাজবাড়ী ৩,৩৫২
  • কিশোরগঞ্জ ৩,৩৪১
  • গোপালগঞ্জ ২,৯২৯
  • ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২,৭১৪
  • নরসিংদী ২,৭০১
  • চাঁদপুর ২,৬০০
  • সুনামগঞ্জ ২,৪৯৫
  • সিরাজগঞ্জ ২,৪৮৯
  • লক্ষ্মীপুর ২,২৮৩
  • ঝিনাইদহ ২,২৪৫
  • ফেনী ২,১৮০
  • হবিগঞ্জ ১,৯৩৪
  • মৌলভীবাজার ১,৮৫৪
  • শরীয়তপুর ১,৮৫৪
  • জামালপুর ১,৭৫৩
  • মানিকগঞ্জ ১,৭১৩
  • পটুয়াখালী ১,৬৬০
  • চুয়াডাঙ্গা ১,৬১৯
  • মাদারীপুর ১,৫৯৯
  • পাবনা ১,৫৪৪
  • নড়াইল ১,৫১১
  • নওগাঁ ১,৪৯৯
  • ঠাকুরগাঁও ১,৪৪২
  • গাইবান্ধা ১,৪০৩
  • নীলফামারী ১,২৮০
  • জয়পুরহাট ১,২৫০
  • নাটোর ১,১৬২
  • সাতক্ষীরা ১,১৪৭
  • পিরোজপুর ১,১৪৪
  • রাঙ্গামাটি ১,০৯৮
  • রাজশাহী ১,০৮৫
  • বাগেরহাট ১,০৩২
  • মাগুরা ১,০৩২
  • বরগুনা ১,০০৮
  • কুড়িগ্রাম ৯৮৭
  • লালমনিরহাট ৯৪২
  • ভোলা ৯২৬
  • বান্দরবান ৮৭১
  • নেত্রকোণা ৮১৭
  • চাঁপাইনবাবগঞ্জ ৮১১
  • ঝালকাঠি ৮০৪
  • খাগড়াছড়ি ৭৭৩
  • পঞ্চগড় ৭৫৩
  • মেহেরপুর ৭৩৯
  • শেরপুর ৫৪২
ন্যাশনাল কল সেন্টার ৩৩৩ | স্বাস্থ্য বাতায়ন ১৬২৬৩ | আইইডিসিআর ১০৬৫৫ | বিশেষজ্ঞ হেলথ লাইন ০৯৬১১৬৭৭৭৭৭ | সূত্র - আইইডিসিআর | স্পন্সর - একতা হোস্ট

বাড়বে ছুটি, নববর্ষের অনুষ্ঠান বন্ধ

DB প্রতিনিধি
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ, ২০২০
  • ১৪৪ বার সংবাদটি ওয়েব থেকে শেয়ার
করোনাভাইরাস নিয়ে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে সাধারণ ছুটি আরো বাড়ানোর ইঙ্গিত দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সেইসাথে নববর্ষের সব অনুষ্ঠান বন্ধ রাখার অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি। এছাড়া পরিস্থিতি মোকাবিলায় সারা দেশে জনসমাগম হয় এমন সব অনুষ্ঠান বন্ধের নির্দেশ দেন শেখ হাসিনা।

আজ ৩১ মার্চ, মঙ্গলবার সকালে গণভবনে ৬৪ জেলার জেলা প্রশাসকদের সঙ্গে আয়োজিত ভিডিও কনফারেন্সে এমন নির্দেশনা দেন তিনি। সকাল ১০টায় শুরু হয় এ ভিডিও কনফারেন্স।

এসময় সরকারপ্রধান বলেন, ‘করোনাভাইরাসের প্রকোপ থেকে জনগণকে রক্ষা করাকেই সরকার সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে। এক্ষেত্রে সরকার জনসচেতনতা সৃষ্টিসহ সবরকম ব্যবস্থা নিয়েছে, যেন ভাইরাসটি ছড়াতে না পারে। ফলে করোনা নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।’

জনগণকেও নিজেদের সুরক্ষায় যাবতীয় নিয়ম ও নির্দেশনা মেনে চলতে হবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘বর্তমান পরিস্থিতিতে জনগণের সুরক্ষা নিশ্চিতে ছুটিটা একটু বাড়াতে হবে। আমরা ১২ দিনের ছুটি দিয়েছিলাম এটা ১৪ দিন হতে পারে।’

নববর্ষের সব অনুষ্ঠান বন্ধ রাখার অনুরোধ জানিয়ে তিনি বলেন, ‘নববর্ষের অনুষ্ঠান আমরাই শুরু করেছিলাম। কিন্তু তাও আমাদের বন্ধ রাখতে হচ্ছে। মানুষের কল্যাণেই এ অনুষ্ঠান না করার অনুরোধ আপনাদের।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘জনসমাগম যাতে না হয়, মানুষ যাতে নিরাপদ থাকে এ জন্য ৭ মার্চের অনুষ্ঠান, স্বাধীনতার অনুষ্ঠান বাতিল করা হয়। পর্যায়ক্রমে দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করেছি। সরকারি ছুটি ঘোষণা করেছি। এতে সাধারণ মানুষের জীবন যেন স্তব্ধ না হয়ে যায় সেজন্য ব্যাংক নির্দিষ্ট সময় খোলা, পানি, বিদ্যুৎ, পণ্য পরিবহন সীমিত আকারে সব কিছু চালু রেখেছি।‘

সরকারের নানা পদক্ষেপের অংশ হিসেবে বিভাগীয় পর্যায়ে করোনাভাইরাসের পরীক্ষা করার ব্যবস্থা করা হবে বলেও উল্লেখ করে তিনি।

এ পরিস্থিতিতে নিজেদের কাজ ঠিকঠাক পালন করতে সরকারের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্দেশ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘করোনা পরিস্থিতির অপসুযোগ নিয়ে কেউ যেন কোন অপকর্ম না ঘটায়, সেদিকেও লক্ষ্য রাখা দরকার। এই দুঃসময়ে কেউ দুর্নীতি করলে, সে যেই হোক, ছাড় পাবে না।’

দেশের দরিদ্র, অসহায়, নির্ভরশীল, বর্তমানে কর্মহীন মানুষ যেন যথাযথভাবে সামাজিক নিরাপত্তার আওতায় আসে, সেদিকে নজর দিতে জনপ্রতিনিধি, সরকারি-বেসরকারি প্রতিটি প্রতিষ্ঠান-সংস্থা ও বিত্তবানদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘সহযোগিতা যেন সবাই সমানভাবে পায় তা দেখতে হবে। কেউ যেন বারবার না পায়, কেউ যেন বঞ্চিত না হয়, সেটা দেখতে হবে। এজন্য তালিকা তৈরি করে ত্রাণসামগ্রী সরবরাহ করতে হবে। এই কাজে কোনও ধরনের দুর্নীতি অনিয়ম সহ্য করা হবে না।’

সরকারপ্রধান বলেন, ‘আজ যে পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে সেটা কেবল বাংলাদেশে নয়, সমগ্র পৃথিবীজুড়ে এই সমস্যাটা রয়েছে। এখানে ধনী-দরিদ্র, দুর্বল কিংবা শক্তিশালী দেশ, উন্নত বা অনুন্নত সবাই এই পরিস্থিতির শিকার। কেউই বাদ যায়নি। এরকম পরিস্থিতি বোধ হয় আমরা জাতীয় জীবনে আর কখনো দেখিনি। অতীতের ঘটনা পর্যালোচনা করলে দেখা যাবে শত বছরে একবার করে এরকম একটা ধাক্কা আছে।’

বিশ্বঅর্থনীতিতে মন্দার প্রভাব বাংলাদেশেও পড়তে পারে উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘খাদ্য নিরাপত্তাকে অগ্রাধিকার দিয়ে আমাদের পরিকল্পনা করতে হবে।’

এছাড়া নানা মাধ্যমে গুজব ছড়োনো থেকে বিরত থাকতে ও ছড়ানো গুজব থেকে সতর্ক থাকতে, সবার প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

সবাইকে ঘরে অবস্থানের পরামর্শ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘করোনা প্রতিরোধে মানুষের করণীয় বিষয়ে নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। আপনারা এসব নির্দেশনা মেনে চলুন। কেননা নিজেদের সুরক্ষা নিজেদেরই করতে হবে।’

করোনা উপসর্গ দেখা দিলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘এখানে কোনো লুকোচুরি করার সুযোগ নেই। লুকোচুরি করলে নিজের জীবনকেই ঝুঁকিতে ফেলে দেওয়া। জনগণকে সুরক্ষিত রাখতে হবে। জনকল্যাণে যেসব কাজ করতে হবে তা যথাযথভাবে মেনে চলতে হবে।’

প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, ‘করোনা মোকাবিলায় দেশের মানুষের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টি করাটা জরুরি। আমাদের দেশটা ছোট কিন্তু জনসংখ্যা বিশাল। এরপরও আমরা মানুষের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টি করতে পেরেছি। সেজন্য বিশ্বের অন্যান্য দেশের তুলনায় বাংলাদেশে নিয়ন্ত্রণ পর্যায়ে রয়েছে।’

ভিডিও কনফারেন্সে জেলা প্রশাসকেরা তাদের নিজ নিজ জেলার প্রস্তুতির অবস্থা প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করেন। তাদের কথার সূত্র ধরে বিভিন্ন পরামর্শ প্রদান করেন প্রধানমন্ত্রী।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (আইইডিসিআর) দেয়া সর্বশেষ তথ্য অনুসারে, এ পর্যন্ত দেশে ৪৯ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছেন। এদের মধ্যে পাঁচজন মৃত্যুবরণ করেছেন। মোট এক হাজার ৩৩৮ জনের নমুনা পরীক্ষা করার পর এদের শনাক্ত করা হয়।

উল্লেখ্য, করোনাভাইরাসের সংক্রমন রোধে ইতোপূর্বে ২৬ মার্চ থেকে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত দেশের সকল সরকারি অফিস আদালত ১০ দিনের জন্য সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। এর মধ্য ২৯ মার্চ থেকে ২ এপ্রিল পর্যন্ত সাধারণ ছুটি। এর আগে ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবসের ও পরে ২৭ ও ২৮ মার্চের সাপ্তাহিক ছুটিও যোগ হয়েছিল। এ ছাড়া ৩ ও ৪ এপ্রিল সাপ্তাহিক ছুটি এ ছুটির সঙ্গে যোগ হয়। সবমিলিয়ে ১০ দিনের ছুটি পান সরকারি কর্মকর্তারা।

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

বিশ্বে করোনা ভাইরাস

বাংলাদেশে

আক্রান্ত
৫২৬,৪৮৫
সুস্থ
৪৭১,১২৩
মৃত্যু
৭,৮৬২
সূত্র: আইইডিসিআর

বিশ্বে

আক্রান্ত
৯৩,১৩০,২৩৯
সুস্থ
৫১,০৬৫,১৪৪
মৃত্যু
১,৯৯০,৬৮৯

বাংলাদেশে করোনা ভাইরাস

সর্বমোট

আক্রান্ত
৫২৬,৪৮৫
সুস্থ
৪৭১,১২৩
মৃত্যু
৭,৮৬২
সূত্র: আইইডিসিআর

সর্বশেষ

আক্রান্ত
৭৬২
সুস্থ
৭১৮
মৃত্যু
১৩
স্পন্সর: একতা হোস্ট

এই ওয়েবসাইটে কোনও তথ্য, চিত্র, অডিও বা ভিডিও অন্য ও কোথাও প্রকাশ করা আইনত দন্ডনীয়।

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © desherbarta24.com 2017-2021

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD
jpthemes2281