,


সড়কে দুর্ভোগে নাকাল যাত্রীদের মারমুখী আচরণ

নিজস্ব সংবাদাতাঃ যানজটে ভোগান্তির শিকার যাত্রীরা ক্ষিপ্ত হয়ে উঠছে। রবিবার সকাল থেকেই তারা মারমুখী ভূমিকায় অবস্থান করছেন। ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের পৌলি থেকে এলেঙ্গা পর্যন্ত বেশ কয়েকটি জায়গায় রাস্তায় টায়ার জ্বালিয়ে তারা আগুন ধরিয়ে দেয়। সাংবাদিক বা পুলিশ যাকে দেখছে ক্রমেই তারা মারমুখী হয়ে উঠছে।

দুপুরে যানজটের সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে হামলার শিকার হয়েছেন চ্যানেল আইয়ের টাঙ্গাইল প্রতিনিধি মুসলিম উদ্দিন আহমেদ। এসময় তার ক্যামেরা ভাঙচুর করে যাত্রীরা। যাত্রীদের এমন ক্ষিপ্ততা ও হামলার আশঙ্কায় অনেকটা অসহায় হয়ে পড়েছে পুলিশ। আত্মরক্ষার্থে তারা নিজেদের গুটিয়ে নিয়েছে।

পরিবেশ পরিস্থিতি মাথায় রেখে পুলিশ কোন ধরনের আক্রমণাত্মক পদক্ষেপ না নিয়ে অনেকটা কৌশলে আগাচ্ছে।

এদিকে গাড়ির চাপ বেশি থাকায় মাঝেই মাঝেই বন্ধ করে দেয়া হচ্ছে টোলপ্লাজা। ফলে বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব পাড় হতে মির্জাপুর পর্যন্ত দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। থেমে থেমে চলছে যানবাহন। যানজটের কারণে ঢাকা থেকে বঙ্গবন্ধু সেতু আসতে সময় লাগছে ১২ থেকে ১৫ ঘণ্টা। এতে যাত্রীদের ভোগান্তি চরম আকার ধারণ করেছে।  ক্ষুধার্থ যাত্রীরা প্রতি গ্লাস পানি ৫ টাকা আর একটি ডাব কিনে খাচ্ছে ১২০ টাকার বিনিময়ে।

যানজটের বিষয়ে টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার সঞ্জিত কুমার রায় জানান, গাড়ির চাপ বেশি থাকায় মাঝে মাঝে টোলপ্লাজা বন্ধ করে দেয়া হচ্ছে। ফলে গাড়ি না পাড় হওয়ায় পূর্বপাড়ে যানজটের সৃষ্টি হয়। পরে তা দীর্ঘ আকার ধারণ করে। এছাড়াও সিরাজগঞ্জের নলকা, হাটিকুমরুল দিয়ে গাড়ি ঠিকমতো না টানতে পারায় যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে। যানজট নিরসনে পুলিশের প্রায় একহাজার সদস্য নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন।

image_pdfimage_print




     এই বিভাগের আরও খবর

আমরা আছি ফেসবুকে