মানিকগঞ্জে আরিফ হত্যা মামলায় দুইজনের যাবজ্জীবন

মানিকগঞ্জের দৌলতপুরে কলেজছাত্র আরিফ হোসেন হত্যা মামলায় দুইজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক।
আজ ১২ ই জুন রবিবার বিকাল পৌনে ৪টার দিকে মানিকগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক উৎপল ভট্টাচার্য্য আসামিদের উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন।
একই সাথে প্রত্যেক আসামিকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো এক বছর কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।
নিহত আরিফ হোসেন মানিকগঞ্জের দৌলতপুরের কাকনা এলাকার শুকুর আলীর ছেলে। সে মানিকগঞ্জ সরকারি দেবেন্দ্র কলেজের (অনার্স) বাংলা বিভাগের প্রথম বর্ষের ছাত্র ছিল।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, মানিকগঞ্জের দৌলতপুরের কাকনা এলাকার মাইনুদ্দিনের ছেলে মো. লিংকন (৪০) ও একই গ্রামের স্বরুপ আলীর ছেলে আলতাফ হোসেন (৪০)।
এজাহার সূত্রে জানা যায়, পূর্বশত্রুতার জেরে ২০০৫ সালের ২৭ মার্চ রাত সাড়ে ৯টার দিকে কলেজছাত্র আরিফ হোসেনকে হত্যা করে এবং ছিলামপুর সেতুর নিচে কচুরিপানা দিয়ে ঢেকে রাখে আসামিরা। ঘটনার পরের দিন নিহতের বাবা শুকুর আলী বাদী হয়ে লিংকন, আলতাফ, হাসান আলী, মজ্ঞু, সহন, মাইনুদ্দিন, রাসেল, বাদল ও জিন্নাত আলীকে আসামি করে দৌলতপুর থানায় মামলা হলে আসামীদেরকে গ্রেফতার করে আদালতে পাঠায় পুলিশ।
মামলায় ১৯জনের স্বাক্ষ্যগ্রহণ শেষে দোষী প্রমাণিত হওয়ায় বিচারক লিংকন ও আলতাফকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করেন এবং দোষী প্রমাণিত না হওয়ায় হাসান আলী, মজ্ঞু, সহন, মাইনুদ্দিন, রাসেল ও বাদলকে খালাস প্রদান করেন। মামলা চলাকালে অপর আসামি জিন্নাত আলীর মৃত্যুবরণ করলে মামলা থেকে তাকে বাদ দেয়া হয়।
রায়ে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অতিরিক্ত পিপি মথুরনাথ সরকার সন্তোষ প্রকাশ করলেও আসামি পক্ষের আইনজীবী আরিফ হোসেন লিটন এবং হুমায়ন কবির সেন্টু উচ্চ আদালতে আপিলের কথা জানান।

Can you be more specific about the content of your article? After reading it, I still have some doubts. Hope you can help me.