,


শার্শার গোগার অগ্রভুলাটে সন্ত্রাসী হামলায় আহত-৫  একজনের অবস্থা  আশঙ্কাজনক

শাহারিয়ার হুসাইন : যশোরের শার্শা উপজেলার সীমান্ত বর্তী গোগা ইউনিয়নের অগ্রভুলাটে সন্ত্রাসী হামলায় আহত হয়েছেন ৫ জন। বুধবার রাত সাড়ে আটটার দিকে সন্ত্রাসীদের হামলায় শার্শা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ভর্তি আছে একই গ্রামের শরবত  আলীর ছেলে আবুল কাশেম(৩৫)আব্দুল গনির ছেলে শফিউল্লাহ(৩০), কাদের বিশ্বাসের ছেলে তহিদুল বিশ্বাস(৩৩), আবু তালেব মন্ডলের ছেলে লালন হোসেন(৩১)।
আহতদের বয়ানের উপর ভিত্তী করে সন্ত্রাসীদের মধ্যে চিহ্নিত ব্যক্তিরা হলেন,  ইদ্রিস,খোকন,হযরত, শিমুল, সুজন , শরিফ, আশিক ,পলাশ ,কামাল, শাহেব , মিজানসহ আরো অনেকেই  এরা সব একই গ্রামের।
আহতদের মধ্যে ফকির চানের ছেলে নবিছদ্দীর(৪০) অবস্থা আশঙ্কাজনক তাকে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে তার অবস্থা অনেকটা খারাপ দেখে যশোর ২৫০  শস্য হাসপাতালে পাঠিয়ে দেন ডিউটি কর্মরত ডাক্তার নজরুল ইসলাম।
প্রত্যক্ষদর্শী ফকির চানের পুত্র  লুৎফর  বলেন,   অগ্র-ভুলাটে সীমান্ত দিয়ে গরু আসার যে খাটাল তৈরি করা হয়। সহিংসতার সূত্রপাত এই গরুর খাঠাল নিয়েই। গোগা ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান আব্দুর রশিদ ও ইউ,পি সদস্য তবিবর রহমানের মধ্যে গরুর খালাট নিয়ে বিবাদে সৃষ্টি হয়।
এই শত্রুতার জের ধরে, চেয়ারম্যান আব্দুর রশিদের পোষ্য সন্ত্রাসীরা অতর্কিত হামলা চালিয়ে, তবি মেম্বরের অফিসসহ দোকানপাট ভাংচুর করেছে বলে অভিযোগ তুলেছে আহতদের স্বজনরা। এমনকি তারাবী নামাজরত অবস্থায় তিনজনকে ধরে মারপিট করে সন্ত্রাসী বাহিনী।
এ বিষয়ে আহত আবুল কাশেম  বলেন, আমি তারাবী নামাজ শেষ করে বাজারে আসি, কিছু বুঝে উঠার আগে আমারসহ আমাদের এলাকার কিছু খেটে খাওয়া অসহায় মানুষের উপর হামলা চালায় রশিদ চেয়ারম্যানের সন্ত্রাসী বাহিনী। আমার কাছে জমি বন্দকের দুই লক্ষ বিশ হাজার টাকা ছিল, সেই টাকা ছিনিয়ে নেয় শিমুল নামের এক সন্ত্রাসী। আর আমার মাথায় গুলি করে, সৌভাগ্যক্রমে গুলি আমার মাথা ঘেষে চলে যায়।
ইউ,পি সদস্য তবিবর রহমানের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, পূর্ব শত্রুতার জের ধরে আমার কর্মীদের উপর  দেশি-বিদেশি অস্ত্র, বোমা,হকিস্টিক, রামদা এগুলো দিয়ে হামলা চালিয়েছে চেয়ারম্যান আব্দুর রশিদের ক্যাডার বাহিনী। এমনিতে তাদের উদ্দেশ্যে হল আমাকে চিরতরে সরিয়ে দেওয়া। আমার কর্মীদের মারছে আর বলছে সংবাদ সম্মেলন কর, পেপারে দিতে বল, সাংবাদিক ডেকে নিয়ে আই। আরো অকথ্য ভাষায় গালাগালি করছে। আমি এই ন্যাক্কারজনক হামলার সুষ্ট বিচার দাবি করছি।
 এবিষয়ে চেয়ারম্যান আব্দুর রশিদের কাছে জানতে, কিছুদিন আগে আম পাড়া নিয়ে ওই গ্রামে একটা বিবাদ সৃষ্টি হয়,এবং হযরত আলী নামে একজনকে তবি মেম্বরের লোকজন মারধর করে। হযরত মামলা করে।ওই মামলার  আসামীকে পুলিশ ধরতে আসে অগ্র-ভুলাট বাজারে। আসামীরা পুলিশের আগমন দেখে পালিয়ে যায়। সেই আসামীরা পরবর্তীতে ক্ষুব্ধ হয়ে আবুল হোসেনের পুত্র অহেদকে ইট চেলে মারে। সেখানে বেধে যায় হট্টগোল। সে যশোর ২৫০ শস্য হাসপাতালে  ভর্তি আছে।
এ বিষয়ে শার্শা থানার এস, আই আবুল হাসানের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এই বিষয়ে মামলা হয়েছে, মামলা নাম্বার -১১
image_pdfimage_print




     এই বিভাগের আরও খবর

আমরা আছি ফেসবুকে