বরগুনায় ভিজিএফের চাল বিতরণে চেয়ারম্যান এর নানা অনিয়ম

এস এম মেহেদী হাসান,
বরগুনা জেলা প্রতিনিধিঃ
তিনি অভিযোগ করেন, প্রতি জেলেকে ৪ মাসে ৪০ কেজি করে মোট ১৬০ কেজি চাল দেওয়ার কথা থাকলেও চেয়ারম্যান ও সচিব কোনো ধরনের মাস্টার রোল (তালিকা) ছাড়াই প্রতি জেলেকে ৫০ থেকে ১শ’ কেজি করে চাল বিতরণ করেছে। এ ছাড়া জেলে তালিকায় রয়েছে ভিন্ন পেশাজীবীদের নাম। ওই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে জেলা প্রশাসক বিষয়টি তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য জেলা মৎস্য বিভাগকে দায়িত্ব দিয়েছেন। সে অনুযায়ী গত সোমবার সরেজমিন বিষয়টি তদন্ত করেছেন বেতাগী উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোস্তফা আল রাজিব। অভিযোগের অনেকটা সত্যতা পাওয়া গেছে।
বছরের বিভিন্ন সময় মা ইলিশ না ধরা, কখনও আবার জাটকা শিকার থেকে জেলেদের বিরত রাখতে ২০০৯ সালে শুরু হয় ভিজিএফ বিতরণ কর্মসূচি। নভেম্বর থেকে জুন পর্যন্ত নদনদীতে জাটকা শিকারে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। আর এর ক্ষতিপূরণ হিসেবে ৮ মাসের মধ্যে ৪ মাস প্রতি জেলেকে ৪০ কেজি করে ভিজিএফ চাল বরাদ্দ দিয়েছে সরকার। এ কর্মসূচির আওতায় বরগুনা জেলায় ১৩ হাজার ৭৫০ জন জেলের মাঝে খাদ্য সহায়তা বিতরণ করা হচ্ছে। এ ছাড়া এ বছর নতুন করে ২০ মে থেকে সমুদ্রে ৬৫ দিন মৎস্য আহরণে বিরত থাকা জেলেদের জন্য ৮৬ কেজি করে ভিজিএফ চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। যার প্রথম কিস্তি হিসেবে জেলায় ৩৯ হাজার ৮০০ জেলে পরিবারের জন্য ৪০ কেজি করে চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে এ দুই ক্যাটাগরিতে জেলেদের মাঝে চাল বিতরণ চলছে।
বেতাগী সদর ইউপি সচিব শাহীন আহমেদ জানান, ইউনিয়নে জেলেদের সংখ্যা বেশি হওয়ায় সমন্বয় করার জন্য ১৬০ কেজির পরিবর্তে কিছু জেলেকে ৫২ কেজি এবং ১০৪ কেজি করে দেওয়া হয়েছে।
