বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১২:২৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
গাইবান্ধায় সরকারি হাসপাতালের লোকবল দিয়ে চলছে বৈধ-অবৈধ ক্লিনিক নাগরপুরে বৈদেশিক কর্মসংস্থানের দক্ষতা ও সচেতনতা শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত বাঁধ ভেঙে গোবিন্দগঞ্জের ২০টি গ্রাম আকস্মিক বন্যায় নতুন করে প্লাবিত পুলিশী নির্যাতন হতে মুক্তি চায় পলাশবাড়ী রিক্সা শ্রমিকেরা পলাশবাড়ী অটোজ এর উদ্বোধন নাগেশ্বরীতে ভিজিএফ’র চাল বিতরণে অনিয়ম কুড়িগ্রামে ২৪টি  স্থানে নদী ভাঙ্গন প্রতিরোধে ডাম্পিংয়ের কাজ অব্যাহত ভুরুঙ্গামারীতে বিএনপি নেতার হামলার ভয়ে বাড়ি ছাড়া দুই পরিবার জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ উপলক্ষ্যে নবাবগঞ্জে মৎস্য পোনা অবমুক্তি করলেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফুলছড়ির বন্যা দুর্গত ১শ’ টি পরিবারের জন্য সেনাবাহিনীর মানবিক ত্রাণ সহায়তা

প্রবাসীদের অবগাহনঃ দুই একজনের জন্য তথা সামগ্রিক অবমূল্যায়ন

মোঃ কামরুজ্জামান বাবু
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ২৫ মার্চ, ২০২০
  • ১৪০ বার সংবাদটি ওয়েব থেকে শেয়ার

প্রথমে একটা ঘটনা দিয়ে শুরু করি। আমার পরিচিত এক বড় ভাই, নামটা না হয় এখনই না বললাম তবে ছদ্মনাম ইউজ করা যায়। ধরে নিলাম তার নাম হাবিব। হাবিব ভাই ইতালি থেকেই ১২ তলা ফাউন্ডেশন দিয়ে বাড়ির কাজ ধরেছিলেন। কাজ প্রায় অর্ধেক শেষ হয়ে গিয়েছিল, তিনি দেশে আসলেন অনেকবছর পর।বাড়িও এলেন, পরিবারকেও দেখে গেলেন। কিন্তু আদৌ তিনি করোনাভাইরাস পজিটিভ ছিলেন না কিংবা তার ভেতর করোনাভাইরাস এর কোন লক্ষণ প্রকাশ পায়নি কিন্তু তার পরিবারের কেউ তার সাথে কথা বলছে না, তার কাছে আসছে না এমনকি একজন শিক্ষিত সচেতন নাগরিক হিসেবে তিনি নিজেকে ১৪ দিন কোয়ারেন্টাইন- এ রেখেও যখন দেখলেন, বাবা, ভাই, বোন, স্ত্রী, সন্তান কেউই তার সাথে কথা বলছে না- তখনই তিনি সিদ্ধান্ত নেন বাড়িটা বিক্রি করে দেবেন এমনকি তার যাবতীয় সম্পত্তি পর্যন্ত। এটা হাবিব ভাইয়ের এক ধরনের পাগলামো সিদ্ধান্ত হিসেবে মনে করে নিতে পারি।ভাবতে পারিনা এতে তার তীব্র অভিমান ছিলো।

আরেকটা ঘটনা আমাদের এলাকায়, এখানেও আমি নামটা বলব না তবে তিনি দেশে আসছেন সেটা শুনেই তার বাড়িতে তালা ঝুলিয়ে সবাই চলে গেলেন। তিনি বাড়িতে এসে যখন দেখেন ঘরবাড়ি তালা ঝুলানো, চোখে জল নিয়ে ফিরে যান, পুলিশের কাছে গিয়ে নিজেকে সোপর্দ করে ব্যবস্থা নেন।

ব্যাপারটা হচ্ছে, গুটিকয়েক ভীতু প্রবাসী ভাইদের জন্য গোটা প্রবাসীদের উপর আস্থা হারিয়ে খিস্তি করছে সারা বাংলার মানুষ। তাদের মানে বিদেশফেরত ভাইদের কোয়ারেন্টাইনে থাকার ও অন্যান্য সচেতনতার কথা জানানো সত্ত্বেও তারা তা করেননি।

আমি আসলে এ সবের পক্ষে-বিপক্ষে কোন কিছুই যুক্তি তর্ক করতে এই স্ট্যাটাস দিতে বসিনি। আমার কথা হচ্ছে, তারা কোয়ারান্টিনে থাকবে এবং যথাযথ ব্যবস্থা নেবে আর সেই ব্যবস্থাটা আমরা নিজেরাই তৈরি করে দেবো -এমনটাই হবার কথা কিন্তু তাদের উপর দোষারোপ করে বা দোষ চাপিয়ে দিয়ে আমরা নিজেদেরকে ধোয়া তুলসী পাতা প্রমাণ করার কোনই যুক্তিসঙ্গত কারণ দেখিনা।

কেন, আমরা প্রবাসীদের ফোন দিয়ে কি বলি প্রথমে? কিরে বাবা কেমন আছিস অথবা কি রে ভাই কেমন আছিস অথবা স্ত্রী বলে কেমন আছো কিন্তু তার পরের বাক্যটাই হয় টাকা কবে পাঠাচ্ছ? ভাই বলে, আমার ফরম ফিলাপ আছে টাকা পাঠাও, বাবা বলে বাড়ির কাজ ধরেছি, মেয়ের বিয়ে ধরেছি টাকা পাঠাও। বোন বলে, ভাইয়া এমন একটা জিনিস আমার পছন্দ হয়েছে কিনতে হবে, টাকা পাঠাও অথবা আমার জন্য অমুক তমুক ব্র্যান্ডের একটা ফোন কিনে দিও বা পাঠিয়ে দিও কিন্তু আমরা একটা বারের জন্যও জানতে চাই না বা বুঝতে চাইনা তারা কিভাবে টাকা উপার্জন করে, তাদের পরিবারকে টিকিয়ে রাখে, পরিবারের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখে, পরিবারের সম্মান টিকিয়ে রাখে।

আমরা কখনো তাদের কষ্টের কথাগুলো জানতে চাই না, তারা জানতেও চায় না এমনকি দেশে এসেও তারা কলুর বলদের মত খেটে খেটে অবশেষে নিজের হাতের ফোনটাও বিক্রি করে টিকিট কেনার টাকা জোগাড় করে চলে যায় আবার কলুর বলদের মতো খাটবে বলে, থাকবে বলে। তারা কখনোই স্ত্রীর জন্য, বোনের জন্য, মায়ের জন্য পরিশ্রমের টাকা দিয়ে কিনে আনা গয়নার প্রতি নজর দিয়ে বিক্রির কথা চিন্তা ভাবনা করেন না। তারা শুধু দিয়ে যেতেই জানে।

কিন্তু আমরা তাদের আসলেই কি দিচ্ছি? এই নিগ্রহতা, এই অযাচিত দোষারোপ পাওয়ার জন্যই তাদের পরিশ্রমের সবটুকুই উজাড় করে দিয়ে যাচ্ছে বলে আমরা তাদের ন্যূনতম সম্মানটুকুও দিতে জানিনা? পারছিনা? পারিও না? একটা সংবাদে পড়লাম রেমিটেন্স ৭০ শতাংশ কমে গেছে গত চব্বিশ দিনে কিন্তু তাদের রেমিটেন্স বৃদ্ধিতে আমাদের দেশের কি উপকারে বা কতটা উপকারে আসছে, সেটা আমি কেন- আমরা সবাই জানি, শুধু নিজেদের স্বার্থে আমরা তাদের মূল্যায়ন করতে পারিনা, করিও না।

যারা প্রবাসী, যাদের দেশে করোনাভাইরাস সংক্রমিত, আমরা তাদেরকে নিয়ে শুধু এইটুকুই চিন্তা করি যে, এই মাসে বোধ হয় আর টাকা পাঠানো সম্ভব হচ্ছে না, কিভাবে চলব বা এটুকুই আমরা ভাবতে পারি, কি করে সংসার চালাবো, কি করে, কি করে করে করে এমন আরো আরো অনেক কিছু।

আমার প্রবাসী ভাইদের সম্বন্ধে একটা কথা বলি, আপনাদের উপার্জিত টাকায় আমরা বেশ ভালোই আছি, আমাদের সংসার ভালো আছে, আমাদের ভাইয়েরা ভালো আছে, আমাদের মা-বাবা ভালো আছে, আমাদের সন্তানেরা ভালো আছে, তাদের লেখাপড়া ঠিকঠাক চলছে। আপনারা কষ্ট পাচ্ছেন, সেটা সত্যি। আমরা আমাদের অপারগতায় আপনাদের উপর দোষ চাপিয়ে নিজেদের স্বাভাবিক ভাবছি, ভাবছি আমরা আপনাদের চেয়ে অনেক সচেতন কিন্তু আমরা এটা ভাবছি না, আমাদের দেশের বিমানবন্দরে থার্মাল চেকআপ মেশিনগুলো নষ্ট থাকে, আমরা এটা ভাবি না -আমাদের দেশের হাসপাতালগুলো অপ্রতুল যন্ত্রপাতি নিয়ে বসে আছে এবং তারা সাধারণ জ্বর, সর্দি -কাশি আক্রান্ত রোগী- যারা ভয় পায়, করোনাভাইরাসের পজিটিভিটি বা নেগেটিভিটি নিয়ে, চেকআপ করানোর জন্য যায় আর তারা মুখ দেখেই বলে দিতে পারেন যে, ” কিছুই হয়নি, দুটো নাপা খেয়ে নিয়েন। ”

আমরা ভালো করেই জানি, আপনারাও সেটা জানেন যে, আপনারা যারা যে দেশেই থাকেন না কেনো, আপনাদের চিকিৎসা ব্যবস্থা আমাদের চেয়ে যথেষ্ট উন্নত। আমাদের দেশের চিকিৎসা ব্যবস্থা নাপা, এন্টিবায়োটিক এবং টিউমারের জন্য কিংবা ক্যান্সারের মতো রোগের জন্যও নাপা আর এন্টিবায়োটিক। গর্ভবতী মায়েদের সারা জীবন অচল করে রাখার জন্য সিজার করানোর সংক্রমণ বেড়েই চলছে, পাশাপাশি চলছে সেসব বাচ্চাদের বেড়ে ওঠা নিয়ে অনিশ্চয়তা।

আপনারা আমাদেরকে ক্ষমা করে দেবেন। আশা করি আপনারা বোঝেন, জানেন, আমরা অনেক ভীতু, সম্মান করতে জানিনা, জানবোই বা কি করে- আমাদের নিজেদেরই কি আত্মসম্মানবোধ আছে? যাই হোক অনেকদিন ধরে অনেক পোস্ট পড়ছি, দেখছি, কে কি অবস্থায় আছেন, কি করছেন অথবা কী ব্যবস্থা নিচ্ছেন। আমাদের দেশে কলা গাছের দাম ৬ লাখ টাকা হয় নারকেল গাছের দাম হয় ১৩ কোটি টাকা সেই দেশের উঁচুস্তরের মানুষদের কাছ থেকে আপনারা কি আশা করতে পারেন? আপনারা কি করে আশা করতে পারেন, আমরা আপনাদের সঠিক মূল্যায়ন করতে পারব?

একটা কাজ করলে পারেন, আপনারা অন্তত তিনটা মাস দেশে টাকা পাঠানো বন্ধ করে দিন। দেখুন আপনাদের পরিবার কিভাবে চলে, স্ত্রীরা কিভাবে তার সংসার চালানোর জন্য কোন বাহানায় কি ব্যবস্থা করেন অথবা ইত্যাদি ইত্যাদি। আপনাদের ওপর আমাদের কোনো মমতা নেই। সত্যি কথা, মমতা শুধু আপনাদের টাকার উপর।

আপনারা ড্রেন পরিস্কার করেন, পাথর ভাঙার কাজ করেন, টয়লেট পরিষ্কারের কাজ করেন, হোটেলের প্লেট ধোয়ার কাজ করেন, পেঁয়াজ কাটেন, মাছের চামড়া ছিলে দেন, রাস্তার ময়লা পরিষ্কার করেন, কারো হাত পা ধুয়ে দেন, কারো গাড়ি পরিষ্কার করে দেন – তাতে আমাদের কিছু আসে যায় না।

আমরা আপনাদের টাকা ভালোবাসি, বিশ্বাস করুন – আপনাদের প্রতি আমাদের সম্পূর্ণ মমতা শুধু আপনাদের টাকার জন্য, আপনারা বছরের পর বছর দেশের বাইরে বসে আছেন, কাজ করছেন, ঘাম ঝরাচ্ছেন, কলুর বলদের মত খাটছেন, খেটে যাচ্ছেন, যাবেন অথচ আপনাদের টাকায় তৈরি করা বহুতল ভবনগুলোতে কটা রাত পার করতে পারেন? কদিন থাকতে পারেন? এক মাস, দুই মাস, তিন মাস পার হয়ে গেলে আপনাদের শুনতে হয় -কবে যাবি? কাজ ফিরে পাবি তো?

আমরা আপনাদের এমনই ভালোবাসি, বিশ্বাস করুন- আমাদের ভালবাসায় কোন খাদ নেই, বিন্দু পরিমাণও নেই, শুধু এই ভালোবাসা ততদিনই বিদ্যমান থাকবে -যতদিন আপনাদের টাকা আমাদের পাঠাতে পারবেন, আমরা সুদে খাটাতে পারব, খেতে পারব, আপনাদের টাকায় বাইক কিনে রাস্তায় গুন্ডা- পান্ডাদের মত দাপিয়ে বেড়াতে পারব।

আপনাদের দেশে আসার দরকার নাই, আপনারা ওখানেই খেটে মরুন। করোনাভাইরাস আপনাদেরকে মেরে ফেলুক। আপনাদের জন্য আমরা কয়েকদিন কাঁদবো, মিলাদ পড়াবো আপনাদেরই টাকা দিয়ে, আপনাদের দাফন কাফনের ব্যবস্থা করব। আল্লাহ না করুন,যদি বেঁচেও আসেন -তারপরেও আমরা চিন্তা করব আপনারা করোনা পজিটিভ নয়তো!

আমাদের ভাবনাগুলো আমাদের মতই নষ্ট, আমাদের ভাবনাগুলো ডাস্টবিনের নোংরা ময়লার মতোই।আপনারা মনে কষ্ট নিয়ে কী করবেন? আপনারা তো জানেনই, আমরা এমন -আপনাদের কত ভালবাসি!

স্ট্যাটাসটা যদি কেউ লম্বা সময় নিয়ে পড়ে, আমার চৌদ্দগোষ্ঠী উদ্ধার করে ছেড়ে দেবেন কিন্তু কিছুতেই মানতে পারবেন না অথবা মানতে চাইবেন না, আমি এখানে মানবিকতার কথা বলছি, মানুষের কথা বলছি অথচ আজ আমি নিজেই স্তব্ধ হয়ে গেলাম -আমরা তো মানুষ নই, মানবিকতা আসবে কোত্থেকে!

তার চেয়ে বরং এক কাজ করুন, আমাদের দেশে যারা উচ্চাসনে বসে গাঁজাখোরের মত কথাবার্তা বলে, করোনা ভাইরাস কে সরকার কর্তৃক খুব স্বাভাবিক ভাবেই নিয়ন্ত্রিত বলে ঘোষণা করে, সে দেশে আপনাদের না আসাটাই ভালো। আরেকটা কাজ করলে কেমন হয়? আপনাদের আমরা যখন বলবো দেশে আসুন, তখন আপনারা বলুন বা বলবেন আমাদের দেশ করোনাভাইরাস মুক্ত হয়েছে তো?

অনেক বলে ফেলেছি, আর আমার বলার কারণগুলো হলো আমাদের বাংলাদেশ যখন থেকেই করোনার ভাইরাসের সংক্রমণ বেড়েই চলছে এবং প্রবাসীদের দেশে আসা নিয়ে নানারকম ট্রল করা হচ্ছে, সেই থেকে প্রত্যেক মহাজ্ঞানীদের স্ট্যাটাস পড়ে পড়ে আমার ভেতরটা হু হু করে উঠেছিল কারণ আমার একটা ছোট ভাই, ও দীর্ঘ 14 বছর যাবত মালয়েশিয়ায় পড়ে আছে। আমরা যখন তাকে গত ফেব্রুয়ারির শুরুর দিকে তাকে বলেছিলাম চলে আসার জন্য, সেটা একমাত্র করোনাভাইরাসের ভয় ছিল বলে কিন্তু সে আমাদেরকে উত্তর দিয়েছিল, ” এখন যদি দেশে আসি,পরে গিয়ে সে কাজটা আর ফেরত পাব না। তাই চেষ্টা করব একেবারে ঈদের দিকে আসার জন্য। ”

এমন অনেক পরিবারই আছে, যারা এমন করেই বলেছিলো ভয়ঙ্কর এই পরিস্থিতিতে কিন্তু তারা সবাই হয়তোবা আমার ছোট ভাইয়ের মতোই বলেছিল, ” দেশে এসে কি করব? সারাটা জীবন তো বিদেশে কাটালাম, কি করে চলবে সংসার, কিভাবে চলবে ছেলেমেয়েদের লেখাপড়া, কিভাবে চলবে মা-বাবার চিকিৎসার খরচ, কিভাবে চলবে কটা মাস, পরবর্তীতে আবার বিদেশে গিয়ে আগের কাজটা ফেরত পাব তো! ”

এই ভেবে ভেবে তারা আসেন নি আর এখন যখন প্রবাসীদের বিভিন্ন দেশে আক্রান্তদের হার বেড়েই চলছে, যারা পজিটিভ নয় তারা দেশে আসতে চাইছে, চেয়েছিল- এখন তারা আর আসছেন না কারণ আমাদের আত্মসম্মানবোধ না থাকতে পারে কিন্তু তাদের আত্মসম্মানবোধের চেয়ে অভিমান কোন অংশে কম নয়।

ভালো থাকুক প্রবাসীরা, আপনারা ভাল থাকুন, আপনারা নিজেদের দেশে নিয়মমাফিক চলাফেরা করুন, নিজেদের সুস্থ রাখুন, যা যা মেনে চললে আপনাদের জীবন ঝুঁকির মধ্যে থাকবেনা। আর সুস্থ তো হতেই হবে প্রবাসী ভাইদের – আর যাই হোক রেমিটেন্স বাড়াতে হবে না!!

 

‌লেখকঃ

মোঃ কামরুজ্জামান বাবু,

সাংবা‌দিক ও কলা‌মিস্ট, দে‌শেরবার্তা২৪.কম

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

বাংলাদেশে কোরোনা

সর্বশেষ (গত ২৪ ঘন্টার রিপোর্ট)
আক্রান্ত
মৃত্যু
সুস্থ
পরীক্ষা
২,৯৪৯
৩৭
২,৮৬২
১৩,৪৮৮
সর্বমোট
১৭৮,৪৪৩
২,২৭৫
৮৬,৪০৬
৯০৪,৫৮৪

বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাস

বাংলাদেশে

আক্রান্ত
১৭৮,৪৪৩
সুস্থ
৮৬,৪০৬
মৃত্যু
২,২৭৫

বিশ্বে

আক্রান্ত
৩১,৯৪৬,৭২৫
সুস্থ
২৩,৫২৯,৫২৬
মৃত্যু
৯৭৮,২০৩

এই ওয়েবসাইটে কোনও তথ্য, চিত্র, অডিও বা ভিডিও অন্য ও কোথাও প্রকাশ করা আইনত দন্ডনীয়।

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © desherbarta24.com 2017-2020

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD
jpthemes2281