রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৫:১২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
গাইবান্ধায় সরকারি হাসপাতালের লোকবল দিয়ে চলছে বৈধ-অবৈধ ক্লিনিক নাগরপুরে বৈদেশিক কর্মসংস্থানের দক্ষতা ও সচেতনতা শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত বাঁধ ভেঙে গোবিন্দগঞ্জের ২০টি গ্রাম আকস্মিক বন্যায় নতুন করে প্লাবিত পুলিশী নির্যাতন হতে মুক্তি চায় পলাশবাড়ী রিক্সা শ্রমিকেরা পলাশবাড়ী অটোজ এর উদ্বোধন নাগেশ্বরীতে ভিজিএফ’র চাল বিতরণে অনিয়ম কুড়িগ্রামে ২৪টি  স্থানে নদী ভাঙ্গন প্রতিরোধে ডাম্পিংয়ের কাজ অব্যাহত ভুরুঙ্গামারীতে বিএনপি নেতার হামলার ভয়ে বাড়ি ছাড়া দুই পরিবার জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ উপলক্ষ্যে নবাবগঞ্জে মৎস্য পোনা অবমুক্তি করলেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফুলছড়ির বন্যা দুর্গত ১শ’ টি পরিবারের জন্য সেনাবাহিনীর মানবিক ত্রাণ সহায়তা

কুড়িগ্রামে ২৪টি  স্থানে নদী ভাঙ্গন প্রতিরোধে ডাম্পিংয়ের কাজ অব্যাহত

এজি লাভলু, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধিঃ
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২০
  • ৮৫ বার সংবাদটি ওয়েব থেকে শেয়ার

কুড়িগ্রামে বন্যা শুরু হবার পর ব্রহ্মপুত্র, তিস্তা, ধরলা ও দুধ কুমার নদীর অববাহিকার ৩৫টি স্থান ভাঙ্গন প্রবণ হয়ে উঠেছে। এরমধ্যে কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ড বালূ ভর্তি জিও ব্যাগ ডাম্পিংয়ের মাধ্যমে ২৪টি স্থানে জরুরী ভিত্তিতে নদী ভাঙ্গন প্রতিরোধে কাজ অব্যাহত রেখেছে বলে সংশ্লিষ্ট সুত্র জানিয়েছে।

সুত্রটি জানায়- কুড়িগ্রামে ভাঙ্গন প্রবণ ৩৫টি এলাকার মধ্যে উল্লেখযোগ্য ভাঙ্গন প্রবণ এলাকাগুলি হচ্ছে- তিস্তা নদীর অববাহিকায় বিদ্যানন্দ, কালীরহাট, গাবুর হেলান, গুনাইগাছ, বজরা ও কশিমবাজার; ধরলা নদীর অববাহিকায় মোগলবাসা, জয়কুমার, বাংটুরঘাট, সারডোব ও কালোয়া; ব্রহ্মপুত্র নদের অববাহিকায় কাচকোল, ফকিরের হাট, কর্ত্তিমারী ও সাহেরব আলগা; দুধ কুমার নদীর অববাহিকায় নুন খাওয়া, খেলার ভিটা ও মুড়িয়ার বাজার।

সুত্র আরো জানায়- বর্তমানে নদীতে পানি বেশি থাকায় ভাঙ্গনের তীব্রতা খানিকটা কম রয়েছে। নদীর পানি কমে যাবার সাথে সাথে নদীতে স্রোতের তীব্রতা বাড়বে আর তখনই নদী ভাঙ্গন প্রকট আকার ধারণ করবে। এই বিষয়টিকে বিবেচনায় নিয়ে কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ড আগাম প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছে।

এদিকে বন্যা, করোনা এবং অর্থ ছাড় না হবার কারণে ৩শ’ ২ কোটি টাকা ব্যয়ে চিলমারী থেকে উলিপুর পর্যন্ত ব্রহ্মপুত্র নদের এপারে তীর সংরক্ষণের কাজ এবং ৪শ ৭৯ কোটি টাকা ব্যয়ে রৌমারী থেকে রাজিবপুর পর্যন্ত ব্রহ্মপুত্র নদের ওপারে নদীর তীর সংরক্ষণের কাজ স্থবির হয়ে পড়েছে। দু’টি প্রকল্পে ৭০ কোটি টাকার কাজ করা হলেও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় থেকে এক টাকাও ছাড় হয়নি। ফলে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারদের মাথায় হাত পড়েছে।

কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ আরিফুল ইসলামের সাথে বন্যা ও নদী ভাঙ্গন সম্পর্কে কথা হলে তিনি সাংবাদিকদের জানান- এবারের বন্যার গতি প্রকৃতি একটু অন্যরকম। বন্যা পরিস্থিতির উপর সার্বক্ষনিক নজরদারী রেখেছি এবং নদী ভাঙ্গন প্রতিরোধে যথাসাধ্য চেষ্টা অব্যাহত রেখেছি। তবে বড় সমস্য হয়ে দাড়িয়েছে অর্থ বরাদ্দ না পাওয়ার বিষয়টি। ৭শ’ ৮১ কোটি টাকার দু’টি বৃহত্তম প্রকল্পের বিপরীতে ৬৫ কোটি টাকা ছাড়ের আশ্বাস পেয়ে আমি ঠিকাদারদের মাধ্যমে ৭০ কোটি টাকার কাজ করিয়ে নিয়েছি। সেখানে ৬৫ পয়সাও ছাড় পাইনি। এসব বিষয় নিয়ে দারুন বিব্রতকর পরিস্থিতির মুখে রয়েছি।

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

বাংলাদেশে কোরোনা

সর্বশেষ (গত ২৪ ঘন্টার রিপোর্ট)
আক্রান্ত
মৃত্যু
সুস্থ
পরীক্ষা
২,৯৪৯
৩৭
২,৮৬২
১৩,৪৮৮
সর্বমোট
১৭৮,৪৪৩
২,২৭৫
৮৬,৪০৬
৯০৪,৫৮৪

বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাস

বাংলাদেশে

আক্রান্ত
১৭৮,৪৪৩
সুস্থ
৮৬,৪০৬
মৃত্যু
২,২৭৫

বিশ্বে

আক্রান্ত
৩১,০২২,৪০১
সুস্থ
২২,৬২১,৬০৩
মৃত্যু
৯৬২,০৩২

এই ওয়েবসাইটে কোনও তথ্য, চিত্র, অডিও বা ভিডিও অন্য ও কোথাও প্রকাশ করা আইনত দন্ডনীয়।

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © desherbarta24.com 2017-2020

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD
jpthemes2281